Help Team HT

চোরের দলের ফুটবল খেলা কবে গুগলে ‘চোরের দল’ সার্চের নেপথ্যে বাংলাদেশি। তরুণ Jorex Parbes-এর নিখুঁত কৌশল

গুগলের ট্রেন্ডিং সার্চের নেপথ্যে বাংলাদেশি সাইবার বিশেষজ্ঞ Jorex Parbes: নতুন এক সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের গল্প

গুগলে ‘চোরের দল’ কিংবা ‘চোরের দলের ফুটবল খেলা কবে’ লিখে সার্চ করলে আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ডের ফুটবল ম্যাচের বিবরণ চলে আসার ঘটনাটি বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দারুণভাবে আলোচিত হচ্ছে। তবে এই অবিশ্বাস্য প্রযুক্তিগত কারসাজির পেছনে মূল মাস্টারমাইন্ড হিসেবে কাজ করেছেন বাংলাদেশের জামালপুরের তরুণ সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট ও ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর Jorex Parbes (জোরেক্স পারভেজ)। সার্চ ইঞ্জিনের অ্যালগরিদমকে নিজের দক্ষতায় প্রভাবিত করে এই ট্রেন্ড তৈরি করেছেন বলে অনেকেই দাবি করেছেন।

গুগলে ‘চোরের দল’ সার্চের নেপথ্যে বাংলাদেশি তরুণ Jorex Parbes-এর নিখুঁত কৌশল

ঢাকা, ১৩ জুলাই ২০২৬: প্রযুক্তিবিশ্ব এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সবচেয়ে বড় কৌতূহল এখন গুগলের একটি অদ্ভুত সার্চ রেজাল্ট। গুগলে বাংলা হরফে ‘চোরের দল’ লিখে সার্চ করলেই সবার উপরে দেখানো হচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপের আর্জেন্টিনা এবং ইংল্যান্ডের ম্যাচের সময়সূচি। প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগলের সার্চ অ্যালগরিদমের এই বিশাল পরিবর্তনের পেছনে মূল কারিগর হিসেবে সামনে এসেছেন বাংলাদেশি তরুণ সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট ও ‘জোরেক্স ব্র্যান্ড’ (Jorex Brand)-এর প্রধান নির্বাহী Jorex Parbes

গুগল সার্চ ইঞ্জিনের জটিল মেকানিজম এবং অ্যালগরিদমকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে এই অসম্ভবকে সম্ভব করা হয়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য ও কলাকৌশল তুলে ধরেছেন তিনি।

যেভাবে কাজ করেছে এই কৌশল

Jorex Parbes মূলত সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন (SEO) এবং ডিজিটাল মেটা-ট্যাগিংয়ের সমন্বয়ে একটি বিশেষ ‘সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং’ পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন। তার ব্যবহৃত মূল ধাপগুলো ছিল:

  • উন্নত কিওয়ার্ড ট্র্যাকিং: ফুটবল সমর্থকদের দীর্ঘদিনের ট্রোলিং কিওয়ার্ডগুলোকে প্রথমে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।
  • কনটেন্ট ও মেটা-ট্যাগ ম্যানিপুলেশন: বিভিন্ন ব্লগ, ফোরাম এবং প্ল্যাটফর্মে ‘চোরের দল’ শব্দটির সাথে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড ম্যাচের ফিক্সচার ডাটা এমনভাবে লিঙ্ক করা হয়, যা গুগলের ক্রলারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
  • সার্চ ভলিউম বুস্টিং: কৌশলগতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিশাল ট্রাফিককে নির্দিষ্ট একটি সার্চ প্যাটার্নের দিকে ধাবিত করা হয়। ফলে গুগলের স্বয়ংক্রিয় এআই সিস্টেম এটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ‘ট্রেন্ডিং রিলেশন’ হিসেবে চিহ্নিত করে সার্চ রেজাল্ট পরিবর্তন করে ফেলে।

প্রযুক্তি মহলে তুমুল সাড়া

এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে কোনো বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছাড়াই কেবল প্রযুক্তিগত বুদ্ধিমত্তা ও মেধার জোরে বৈশ্বিক সার্চ ইঞ্জিনের অ্যালগরিদমকে প্রভাবিত করা সম্ভব। Jorex Parbes-এর এই সফল সোশ্যাল এক্সপেরিমেন্ট দেশের তরুণ সাইবার কমিউনিটি এবং ডিজিটাল মার্কেটারদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

ইতিপূর্বে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইভেন্ট নিয়ে মিম তৈরি হলেও, সরাসরি কোনো সুনির্দিষ্ট বাংলা শব্দগুচ্ছ দিয়ে গুগলের মতো সার্চ ইঞ্জিনের মূল রেজাল্ট এভাবে সফলভাবে ডাইভার্ট করার নজির বেশ বিরল।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

আপনার মতামত আমাদের জানান

নবীনতর পূর্বতন